Category: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
Science.jpg
News Headings

উইকিপিডিয়া : জ্ঞানের মহাসমুদ্র
২০০৮ সালের প্রধান ১০টি টেকনোলজি
Jan 3, 2009
চিলড্রন ভয়েস
২০০৮ সালের প্রধান ১০টি টেকনোলজি
গত ২০০৮ সালে পৃথিবীতে অনেক নতুন টেকনোলজির উদ্ভব ঘটেছে। এরমধ্যে উল্লেখ যোগ্য ১০টি সম্পর্কে আপনাদের জানাব যেগুলো ব্যাবসায়, চিকতসা ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদান রেখেছে।
১. স্মার্টফ্লো: এরিক হরবিটস বলেন "অতীতে আমরা যেসব ঘটনা দেখে অবাক হয়েছি তার উপর নির্ভর করে ভবিষ্যতে অবাক করা ঘটবাগুলোর একটা মডেলিং করা সম্ভব"। এর ফলে যারা স্বাস্হ্যখাতে, মিলিটারিখাতে বা অর্থনীতির নীতিনির্ধারণ করেন তাদের জন্য সহায়ক হবে। মডেলিং সারপ্রাইজ ইউজ করে স্মার্টফ্লো তৈরী করা হয়েছে। এটি ডেস্কটপ কম্পিউটার ও মাইক্রোসফটের পকেট পিসি দুটোতেই কাজ করবে। এর মাধ্যমে ট্রাফিক কন্ডিশন জানা যাবে সিটি ম্যাপ ইউজ করে- হেভি জ্যাম থাকলে লাল আর না থাকলে সবুজ সংকেত পাঠাবে। এজন্য এক্সিডেন্ট, আবহাওয়া, ছুটিরদিন, খেলাধুলা এমনকি উচ্চপদস্হ কর্মকর্তাদের পরিদর্শনকেও ইভেন্ট হিসাবে ধরা হয়েছে।
২. প্রবাবিলিস্টিক চিপস: পিসিএমওএস হল এমন একটা মাইক্রোচিপস ডিজাইন টেকনোলজি যা নিখুঁতভাবে দ্রুত কম্পিউটিংয়ে সাহায্য করে অনেক শক্তির সাশ্রয় করে। এটা মোবাইল ডিভাইসের ব্যাটারিলাইফ অনেক বাড়িয়ে দেয়। কৃস্ন পালাম এটি উদ্ভাবন করেন।
৩. ন্যানোরেডিও: এটি ন্যানোটিউব থেকে তৈরী ও সেল ফোন থেকে শুরু করে মেডিকাল ডায়াগনোসিসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এ্যালেক্স জেটেল এটি তৈরী করেন। এর কি সার্কিট্রি সিংগেল কার্বন ন্যানোটিউব দ্বারা গঠিত।
৪. ওয়্যারলেস পাওয়ার: এই প্রžযুক্তিতে তার ব্যাবহার না করেই বিভিন্ন ডিভাইসে ইলেক্ট্রিসিটি আদান প্রদান করা যায়। সেলফোন, আইপড বা ল্যাপটপের মতো কম পাওয়ারের ডিভাইসগুলো অটোমেটিক রিচার্য করা যায় তারবিহীন পাওয়ারসোর্সের মধ্যে থেকে। এজন্য কোন মাল্টিকেবল বা ব্যাটারি দরকার হয়না।
৫. এটমিক ম্যাগনেটোমিটার: এটা একটা ছোট্ট ম্যাগনেটিক ফিল্ড সেন্সর যাতে ক্ষুদ্র ইনফ্রারেড রশ্নি থাকে গোল্ড কোটেড প্লেটের সাথে আটকানো অবস্হায়, সেজিয়াম ফিল্ড সেল ও লাইট ডিটেকটর থাকে। এটা পোর্টেবল এমআরআই মেশিন থেকে দ্রুতগতির ডিটেকটরেও ইউজ করা যাবে।
৬. অফলাইন ওয়েব এপ্লিকেশন: লিন্চ এডব ইন্টিগ্রেটেড রানটাইম (এআইআর) সিস্টেম তৈরী করেছেন যার ওয়েব প্রžযুক্তি ইউজ করে প্রোগ্রামাররা ডেক্সটপ এপ্লিকেশন বানাতে পারে অনলাই ও অফলাইনে ব্যাবহার করার জন্য যেগুলি বিভিন্ন ডিভাইস ও অপারেটিং সিস্টেমে চলবে। ই-বে, এওএল ও এনথ্রোপলজির মতো কম্পানিগুলো এই সফটওয়্যারের সাহায্যে বিভিন্ন ডেক্সটপ এপ্লিকেশন বানিয়েছে। গুগলও গিয়ার নামে একটা কম্পিটিং প্লাটফরম তৈরী করেছে।
৭. গ্রাফেন ট্রানজিস্টর: স্পিডি ও কমপ্যাক্ট কম্পিউটার প্রসেসরের জন্য কার্বনের নতুন ফর্ম ব্যাবহার করা হয়েছে।
৮. কানেকটমিকস: নিউরাল সার্কিটের প্রবাহকে প্রতিহত করার জন্য নতুন টেকনোলজি ইউজ করে ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট ও বিভিন্ন রোগকে বিশ্লেষন করতে চেয়েছেন জেফ লিচম্যান।
৯. রিয়ালিটি মাইনিং: মানুষের ব্যাবহার সম্পর্কে জানার জন্য স্যান্ডি পেন্টল্যান্ড সেলফোনথেকে সংগৃহীত ডাটা নিয়ে গবেষণা করেছেন।
১০. সেল্যুলিটিক এনজাইমস: সেলোলজ থেকে বায়োফুয়েল তৈরী করার জন্য ফ্রান্সেস আর্নল্ড উন্নতমানের এনজাইমের ডিজাইন করেছেন। বায়োমেসে পাওয়া সেলুলোজ সেলুলিটিক এনজাইমে ভেংগে বায়োফুয়েলের খাদ্যভান্ডার হিসাবে ব্যাবহার করেছেন। এটি তেলের উপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করবে।
সূত্র: নেট থেকে সংগৃহীত।